শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্য

এই উতাল পাতাল জীবনে আমরা একদাম শরীরের যত্ন নিতে পারি না।ফলে ২ দিন ছারা ডাক্তারের কাছে দৌড়াতে হয়।তাই আজকে চেষ্টা করলাম শরীর চর্চার কিছু ঘরোয়া টিপস আপনাদের মধ্যে তুলে ধরতে।

 ১) যখনিই আপনি বাইরে থেকে ঘরে ফিরবেন, কোন বাইরের জিনিস হাত লাগানোর পরে, খাবার তৌরীর আগে, খাবার আগে, খাবার পরে, বাথরুম করার পরে ভালো করে নিজের হাত সাবান দিয়ে পরিস্কার করে নেবেন। যদি আপনার ঘরে কোন ছোট বাবু থাকে তাহলে অতি অবশ্যই এটা করার দরকার। তার গায়ে হাত দেবার আগে অবশ্যই ভালো করে নিজের হাত ধোবেন।

 ২) সবসময় ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্দ রাকুন বিষেস করে রান্না ঘর ও বাথরুম। বারির আসে পাসে কোথাও জল জমতে একদমি দেবেন না। মাঝে মাঝে ফিনাইল, ব্লিচীং পাউডার ব্যবহার করবেন। খাবার জিনিস সব সময় ঢাকা দিয়ে রাখবেন।কাঁচা খাবার ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখুন। খাবার বাসন, ফ্রীজ ও খাবার জায়গায় সব সময় পরিষ্কার রাখূন।কখনো ভিজে বাসন রেকে রাখবেন না অথবা ভিজে ডাব্বা টীফিন বক্স চাপা রাখবেন না যতখ্যন না শুকনো হয়।

 ৩) সব সময় টাটকা সবজি খাবার চেষ্টা করবেন। যেখানে সেখানে সবজি রাখবেন না। মশলা কেনার পূর্বে এক্সপায়ার ডেট দেখে নেবেন পূরানো জিনিস কিনবেন না।

 ৪) বেশি তেল মশলা যুক্ত খাবার খাবেন না। গরম খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং বিষেস করে সবজি খাবার নষ্ট করবেন না। খাবার নেওয়ার সাথে সাথে খাবার ঢেকে রাখূন। এবং খাবার পর বাসন করে ধুয়ে নিন। রাতে খাবার পর অবশ্যই একবার ব্রাশ করে নেবেন।

 ৫) খাবারের সাথে স্যালাট, দুধ, দই, সবজি ও ডাল খান। খাবার পর ফল খাবার চেষ্টা করবেন। খাবার খাওয়া ও তৌরী করার জন্য পরিষ্কার জল ব্যবহার করুন। সবজি বা ফল ভালো করে ধুয়ে নেবেন।

 ৬) খাবার তৌরীর জন্য ভালো তেল ব্যবহার করুন। এই যেমন সোয়বীন ওয়েল, সূর্যমুখী, অলিভ, ভুট্টা।খাবারে নুন ও চিনি পরিমান অনুযায় দেবেন। বেশি নুন ব্যবহার করবেন না।মশলা পরিমান অনুসারে দিন বেসি গুরো লঙ্কা দেবেন না। রাতের খাবার হাল্কা হলেয় ভালো।।

 ৭) আপনার বিশ্রাম স্থান ও শোবার ঘর পরিষ্কার রাখূন।জানলা দরজা খুলে রাখূন যাতে হাওয়া বাতাস আসতে পারে। কাঁতা কম্বল মাঝে মাঝে রোদে দিন।

 ৮) সকালে ঘুম থেকে উঠে একটু ব্যায়াম করুন যেমন তাইলে শরীরের জোর বারে।একাগ্রতা দূর হই এক ধরনের মনে ফূর্তি আসে।

 ৯) যেকোনো একটা ব্যায়াম রোজের করুন মাঝে মাঝে পাল্টাবেন।পারলে খোলা মাঠে দৌড়ান উটবস করুন। রোজের ৩০ মিনিট সময় দিন। অতো না পারলে বাড়ির সিঁরিতে বার বার ওঠা নামা করুন।

 ১০) ৫০ এর ওপরে বয়স হলে ডক্টর দিয়ে একবার চেকাপ কয়রে নিন।কোকোন ওষুধ দিলে নিয়ম মেনে খান। প্রাকৃতিক আবহাওয়ার সাথে থাকুন। বাচ্ছাদের সাথে খেলুন ও পরিবারের সাথে মাঝে মাঝে মজা করুন। এতো কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।   

  
Previous
Next Post »