গাজরের উপকার ও পুষ্টিগুণ

গাজরের পুষ্টিগুণ 

গাজর শীতের সময় পাওয়া যায়। এটা বেশ সুন্দর দেখতে আর মিস্টী স্বাদ। গাজর স্বাস্থ্যের জন্য সেরা খাদ্য । গাজর খাওয়ার উপকার জানলে আপনি আজ থেকেই গাজর খাওয় শুরু করে দেবেন। এতে ভিটামিন এ, সি, কে, প্যানটোট্যানিক অ্যাসিড, ফোলেট, পটাসিয়াম, আয়রন, কপার এবং ম্যাগানিজের মতো অনেক খনিজ এবং ভিটামিন রয়েছে। প্রতিদিন একটি গাজর স্যালাট করে বা গাজরের রস (জুস) করে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।গাজর খাওয়ার সুবিধাগুলি নীচে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

গাজরের উপকারিতা

স্বাস্থ্যের কথা বললেই সবার আগে গাজরের কথায় মনে আসে গাজর খাওয়া চোখের জন্য অনেক উপকার। রোজের ২-৩ টে গাজর নিন এবং তার রস বার করে খান, পারলে তাইতে একটু মধূ দিন খেতে ভাল লাগবে গাজরের রস রক্ত পরীষ্কার রাখে। আপনি যদি রোজের রস না পান তাহলে সপ্তাহে  ১ বার খান এবং আপনার রক্ত পরিষ্কার করে সুস্থ্য থাকুন।এছাড়া গাজর শুক্রানু বৃদ্ধি করে।ডায়াবেটিসের সমস্যা দূর করে।শুক্ন কাশী দূর করে, দাঁতের মারি মজবুত রাখে। হজম শক্তি বারায় যাদের খাবার হজম হয় না তারা দিনে একটা করে গাজর খান।এছাড়াও গাজর ক্যান্সার পতিরোধ করে।ব্লাড সুগার নিয়ন্তন কর,  চুলের সমস্যা দূর করে। চুল ওঠা দূর করে ও চুলের গোরামজবুত রাখে।পেট ফাপা দূর করে, খাওয়ার বৃদ্ধি করে, শরীরের ওজন কমায়, ত্বক নরম করে, ও চামড়া ফর্সা করে গাজর।মায়ের বুকের দুধ বাড়াতে, জন্ডীস থেকে মুক্তি পেতে গাজর সাহায্য করে।

শরীর ঠিক রাখতে আজি যেনে নিন কিছু ঘরোয়া টিপস

গাজরের অপকারিতা

গাজর খেতে ভালো অনেক  উপকার ও আছে। সর্বদা পাওয়াও যায়,  পেট ও ভরে তার মানে এই না যে সব সময় গাজর খাবেন।। গাজরের যেমন উপকার আছে তেমন  অপকারও আছে।
বেশি গাজর খেলে এলার্জি হতে পারে।
যদি আপনার সুগার থাকে তাহলে কাঁচা গাজর খাবেন না। সেদ্ধ বা তরকারি করে খেতে পারেন।
এছাড়া  বেশি গাজর খেলে পেট ব্যাথা ও গ্যাস হতে পারে। মহিলাদের স্তনের দুধের স্বাদ বদলে যেতে পারে তাই  যাদের বেবী আছে তারা বেশি গাজর খাবেন না। এছাড়া বেশি গাজর বা গাজরের রস শরীরের রঙ কালো করে দেয়।

গাজর কিভাবে খায়

গাজর এমন এক সবজি যেটা আপনি যেকোন ভাবে খেতে পারেন। কাঁচায় ফল মনে করে বা স্যালাট বানিয়ে বা গাজরের জুস করে। আবার সবজি মনে করে রান্নাও করতে পারেন গাজরের তরকারি, গাজরের বরফি, গাজরের কেক, গাজরের হালুয়া যেটা সকলের প্রিয়।
তাহলে আজ এই পর্যন্ত আবার অন্য দিন অন্য  কিছু নিয়ে হাজির হবো ধন্যবাদ।





Previous
Next Post »